অগ্নি কন্ঠ – নাবিলা

গল্পঃঅগ্নি কন্ঠ

বাংলাদেশের সাধিনতা হাজার বছরের ইতিহাসে প্রধান অজ্ন জা বাঙালির এই সাধিনতা সংগ্রামের ইতিহাসের সংগে চিরসরনিয় হ্য়ে আছে। প্রথমে আসি,যার কারনে আজ এই পৃথিবী তাকে, চেনে তার কারন,,,
১৮২০ সাল,,, ১৭ ই মার্চ জন্ম হয় এক শিশুর,,মায়ের নাম ছিল ,,,সায়েরা খাতুন, বাবার নাম, লুৎফর রহমান ।তার ছোটবেলা ছিল খুবই সুন্দর। মা তাকে আদর করে খোকা বলে ডাকতেন।সারাদিন,, পারার ছেলেদের সাথে খেলা করত ।মাঝে মঝে পুকুর পার,খেলার মাঠ, আর ও জে কত কি,যায় গায় খেলে বেরাত,সারাদিন ঘুরে ফিরে মাকে বলত।এভাবেই চলল কয়েক বছর।একদিন খোকা পথ দিয়ে হাটছিল হঠাৎ দেখল, এক বয়স কো মানুষ খালি,,, গায়ে পথের ভেতর কাপছে,দেখে তার খুব খারাপ লাগল,আর সে তার নিজের গায়ের চাদর টি মানুষটির গায়ে জরিয়ে দিল

তারপর অন্যএকদিন এক লোককে দেখল সারাদিন না খেয়ে মরোমরো বলতে গেলে,।তখন খোকা গুটিগুটি পায়ে তার কাছে যায়।যেয়ে দেখে লোকটির কি করুন দশা, এটা দেখে তার খুব মনটি কেদে ওঠল বললো বাবা তোমার কি হয়েছে ?তুমি এই অবস্থায় কেন?দেখে মনে হচছে কিছুু খাওয়া হয়নি তোমার সারাদিন,,,নাজানি কতদিন না খেয়ে রয়েছ,,?
লোকটি বলে বাছা! মুই অনেকদিন ধরে কিছুটি খেতে পাইনে,!;মনে অনেক দুঃখরে বাছা!
খোকা তখন তাকে তার বাড়িতে নিয়ে যায়।নিয়ে গিয়ে তাকে পেট ভরে খাইয়ে দেয়।দিয়ে তার কাছ থেকে সব শুনে কি হয়েছিল তার।
খোকাঃ তো কাকু তোমার এই রকম হাল ই বা হলো কেমনে ?আর এতদিন ধরে খাওয়া দাওয়া করোনা কেন?
লোকটিঃবাছা! আর বলিসনে,”দুঃখের কথা আর কি কই বল।ঘরে একটা ছেলে,ছেলে আমার বড় অফিসার হয়েসে,,আমায় তার বও এর কথা শুনে বের করে দিয়েছে, ,,
খোকাঃ হুবুঝলাম ত সব ই কি করার,,, এখন থেকে তুমি আমার বাড়িতে থাকবে,,?
লোকটিঃ বাছা! আল্লাহ তোমার মঙল করুক, অনেক বড় হও তুমি,

এর পর একদিন সে পথ দিয়ে যেতেই দেখে এক বাচচা কে তার মা মারছে,,,। সে শুনতে পায় শিশু টি খুদায় কান্না করসে।মা তার সন্তান কে কিছু খেতে দিতে না পেরে সেলে কে মারসে,।দেখে সে খুব৷ দুঃখ বোদ করে!

হঠাৎ ভাবতে থাকে এ কেমন দেশ যে দেশে মানুষ না খেয়ে জীবন জাপন করছে?,,,নানা চিন্তা তার মাথায় ঘুরতে থাকে,,।এভাবে জত দিন যায় তত তার মনের ভেতর জেগে ওঠে এক মানবতা মন। জত দিন জায়, তার এই বিষয় গুলো নিয়ে ভাবনা আর বেরে যায়। কিছুদিন পর,তার বাবা মা তাকে,অথাৎ খোকাকে বিদ্যালয়ে ভরতি কre দেয়।শুরু হয় তার শিক্ষা জিবন।তিনি হাই স্কুল থেকে ১৯৪১ সালে ম্যোটিক পাস করে।ভতি্ হয় কলকাতা ইসলামিয়া কলেজে, এ কলেজ থেকে অবশেষে, তিনি১৯৪৪ সালে আই.এ পাস করেন।।এবং ১৯৪৭সালে বি. এ পাস করেন।

তার পর তিনি ১৯৪৬ সালে ছাএ সংসদের সাথে সংজুক্ত হন।১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর। ১৪ ই Aguest. পাকিস্থান অ ১৫ ই aguest ভারত সাধীনতা লাভের পর তিনি ঢাকায় আসেন।

১৯৪৮ সালে গঠীত হয়, পুব্ পআকিস্থান মুসলিম লীগ গঠীত হলে কারাবনদি অবস্থায় তিনি দলের জুগ্ন সম্পাদকের পদ লাভ করেন।
এরপর আসে ১৯৬৬ সাল ,অথাৎ গনঅভুরথান।

এ দেশের মাটিতে মিশে আছে হাজার ও মানুষ এর জীবন,হাজার ও ইতিহাস,

এর পর আসে এক চুরান্ত বিজয় ১৯৭১ এর ১৬ ই ডিসেম্বার৷ লাল সবুজ এর বুকে এক রাক্তান মানচিএ
পাই একটি মাটি।
পাই একটি সাধীনতা।
একটি সাধীন জাতি।
একটি লাল সবুজের বুকে পতাকা।

আসসালামুয়ালাইকুম,,
কেমন লাগল জানাবেন। 🙏
ধন্যবাদ,,

 

School:Police lince school and collage bogura,,
ঠিকানাঃজাহানগিরাবাদ, ,,ফুলদিঘী,,,উওরপারা,৷।

3 thoughts on “অগ্নি কন্ঠ – নাবিলা”

Leave a Comment