অতৃপ্ত বিজয় ~ মোঃ মাহবুর ইসলাম মারুফ

পশ্চিম পাকিস্তানিরা চাইছে যে কোনো মূল্যে পূর্বপাকিস্তানের মানুষের ওপর শাসন করতে, শোষণ চালাতে। দেশের হয়ে দেশের মানুষের হয়ে তাদের বিরুদ্ধে একা প্রতিনিধিত্ব করে যাচ্ছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

জয় রীতিমতো ডুবন্ত সুর্যের লাল লাভার মতো তীব্র ও অদম্য এক সাহসী ছেলে। আর সাহসী হবেই না বা কেন? ছোট থেকে যে তাকে নিজের জীবনের সাথে একাই লড়ে যেতে হয়েছে। কারণ ছোট থেকে তাকে বন্ধুর মতো, এক দিক নির্দেশক হিসেবে দিক-নির্দেশনা দেওয়ার জন্য বাবা নামক ছাদটি ছিল না, ছিল শুধু মা।

১৯৪৭ সালে জয় জন্মগ্রহণ করে তখন থেকেই ধীরে ধীরে শুরু হয় বাঙ্গালীদের প্রতি পাকিস্তানের শাসন, চলতে থাকে শোষণ৷ এরই মাঝে জয়ের বাবা ফয়েজের পাকিস্তানি পুলিশ ফোর্স এ নতুন চাকরি হয়েছে। এতে জয়ের পরিবারের যে খুব একটা সুবিধা হতো তা কিন্তু নয় কারণ তারা বাঙালি। জয়ের বাবার মতো প্রায় প্রত্যেক বাঙালি সরকারি কর্মকর্তাকে খুব একটা উচ্চপদ দেওয়া হতো না। কাজ করতে করতে দিনে দিনে ফয়েজ পাকিস্থানীদের আন্ডার কন্ট্রোল হয়ে গেল। সব নির্দেশ পালন করতে থাকল ফয়েজ। এসে গেল সেই দিন ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে পাকিস্তানিরা শুরু থেকেই বাঙ্গালীদের প্রিয় বাংলা ভাষার প্রতি নজর ছিল। ১৯৫২ সালের সেই আন্দোলনে ফয়েজের গুলিতে সেদিন অনেকে বাঙালি শহীদ হন। অবশেষে ভাষা আন্দোলনে জয়ী হয় বাঙালি। এর কারণ পাকিস্তানিরা ফয়েজের দেশদ্রোহীতা মনে করে কারণ ফয়েজ ছিল বাঙ্গালীদের মধ্যে এক সিনিয়র অফিসার। এই আন্দোলনের পেছনে ফয়েজের বাঙালিদের সাহায্যের হাত আছে বলে মনে করা হয় যদিও সে এরকম করেনি। তাকে এই মিথ্যা রাষ্ট্রদোহিতার অপরাধে ইনকাউন্টার করার নির্দেষ দেয় পাকিস্তান সরকার। এও ছিল বাঙালিদের প্রতি পাকিস্থানিদের এক অমানবিক শোষন।

জয় এর বয়স তখন ছয় বছর। সে এত কিছু না বুঝলেও ভাষার প্রতি তার আবেগের কমতি ছিল না। তার বয়স যখন বাড়তে থাকলো সে বুঝে থাকলে দেশের অবস্থা। চাচির মুখে তার বাবার কাহিনী শোনার পর পাকিস্থানীদের প্রতি জয়ের ঘৃণার বীজ জন্মায়। তার বাবার প্রতিও এ ঘৃণা বাড়তে থাকে। কারণ জয় ভাবে,“ তিনি তো কর্মচ্যুত হয়ে একজন প্রকৃত বাঙালি হয়ে ভাষার জন্য লড়তে পারতেন কিন্তু তিনি তা করেননি।” জয়ের ভাবনায় যুক্তি আছে কিন্তু ফয়েজের মনে ভাষার প্রতি কোনো অনুভুতি ছিল না। এভাবে দিন দিন দেশের নির্যাতিত অবস্থা দেখে জয়ের মনে সৃষ্ট বীজের বৃক্ষ বড় হতে থাকে। ফয়েজের মৃত্যু হওয়ার পর জয়ের মা আইমা ও জয় চাচা চাচির সাথে থাকতে শুরু করে। তার চাচা–চাচি তাদের ভালো ভাবে দেখাশোনা করলেও চাচি ইকুম প্রায়ই ফয়েজের নামে আইমাকে কথা শোনায়। ইকুম তাকে দিয়ে প্রায় সব কাজই করে নেয়। জয় এসব সহ্য করতে পারত না কিন্তু তাকে সহ্য করতে হতো কারণ তার লেখাপড়া করে একজন সফল মানুষ হওয়ার তীব্র ইচ্ছা তার রাস্তার বিরুদ্ধে আসে। এর জন্য অর্থ দেয় তার চাচা আজম। সে রোজ স্কুলে যায়, যেখান থেকেই ভাব হয়ে যায় রুহিন নামের এক বড় ভাইয়ের সাথে।

১৯৭১, মার্চ……. জয় 25 বছরে পা দিলো কিন্তু সে তার মন থেকে বাবার প্রতি, পাকিস্তানি দের প্রতি ঘৃণা মুছতে পারেনি। রুহিনের সাথে তার সম্পর্ক এখনো আছে কারন ছোট থেকে তাদের দু জনেরি ইচ্ছা দেশকে সাধিন করার। ৬ তারিখ বিকালে রুহিন জয়কে খবর দিল, সে বলল,“ কাল কিন্তু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রেসকোর্স ময়দানে ভাষণ দেবেন, কিন্তু যাস” জয় অতি আগ্রহ সহকারে বলল,“ বঙ্গবন্ধুর ডেকেছে আর আমি যাব না! আমি অবশ্যই যাবো” বাড়িতে ফেরার সময় জয় ভাবল,“আবেগে তো বলে দিলাম বাড়ি থেকে তো যেতে দেবে না।” আসলে চাচা-চাচি এসব পছন্দ করে না। জয়কে এসব মুক্তিযুদ্ধে বিষয়ে জরাতে দেয় না। আইমা একটুখানি প্রশ্রয় দিলেও বেশিরভাগ সময় পিছনে টেনে ধরে। কিন্তু জয় মনে মনে ঠিকই করল সে যাবেই। ৭ই মার্চ সে কোনো না কোনো কাজের বাহানায় বাড়ি থেকে বের হলো তারা চাচি কিছুটা আঁচ করতে পেরেছে, তিনি শুধু জয়ের বাড়ি ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন। আইমা সম্ভবত বিষয়টা বুঝতে পেরেছে কিন্তু তিনি তখন কিছুই বললেন না। রুহিন ও জয় একসাথেই গেল কিন্তু প্রচণ্ড ভিড়ের চাপে তারা দুইজনে আলাদা হয়ে গেল তারা আর একে অপরকে না খুঁজে বঙ্গবন্ধুর বজ্রকন্ঠে ভাষণ শুনতে থাকলো। বংগবন্ধুর সেই ভাষনে সারা মাঠ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এই ময়দানে আজমও ছিল কিন্তু আজম তাকে দেখতে পেলও জয় আজমকে দেখতে পারেনি। বঙ্গবন্ধুর ভাষণের আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে সবাই। পণ করলো তারা, দেশের জন্য লড়বে কিন্তু পাকিস্তানীদের প্রতি ঘৃণা তো জয়ের ছোট থেকেই। এ ভাষণে জয় আরও সাহস পেলো এবং পণ করল সে পাকিস্তানিদের শাস্তি না দিয়ে থামবে না।

সেদিন হাজারো মানুষের মধ্যে গড়ে উঠেছিল দেশ থেকে পাকিস্তানিদের বিতাড়িত করে দেশ স্বাধীন করার লক্ষে বঙ্গবন্ধুর কাজের পরিপূর্ণ রূপ দেওয়ার জন্য জয় নামক আরো এক সাহসী তরুণ যোদ্ধা অপেক্ষা এখন শুধু সময়ের নিজেকে প্রস্তুত করার। জয় বাসায় ফেরার আগেই তো আজম বাড়িতে এসে ইকুমকে সব বলে দেয়। জয় বাড়ি ফেরার সাথে সাথে ইকুম জয়কে প্রশ্ন করল, “কই গেসিলি?” প্রথমে মিথ্যা বললেও পরে সত্য বলতে বাধ্য হয়। কারণ ইকুম তো জানে সে রেসকোর্স ময়দানে গিয়েছিলো। এই কথা বের করার জন্য ইকুম জয়কে অনেক মারধোর করে এবং সত্যি বলার পরেও এজন্য মারধর করে যেন সে এসব মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে না জড়ায়। আইমা এ ঘটনায় তার ছেলেকে বাঁচাতে কিছুই করেনি। সে শুধু এক ঘরের কোনায় বসে কেঁদে চলেছে। কিন্তু এতোকিছুর পরেও জয় থামবার পাত্র নয় কারণ ছোট থেকে এজন্য তাকে অনেক মার খেতে হয়েছে চাচির হাতে তাই এখন তেমন কিছু মনে হয় না।

এবার জয় আরও সচেতনতার সাথে মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে থাকে। রুহিন ও জয় তাদের এক স্কুল শিক্ষকের কাছ থেকে সবকিছু শিখিয়ে নিচ্ছে। মূলত তাদের শিক্ষকই তাদের পথ দেখিয়েছে পথপ্রদর্শক হিসেবে। তাদের ৭ই মার্চের ভাষণ সম্পর্কে অবগত করেছে। জয় বিভিন্ন ভাবে নিজেকে প্রস্তুত করতে থাকে। কখনো শারীরিক গঠন ভালো করে কখনো বন্দুক চালিয়ে বা কখনো গুপ্তচরের রূপ ধারণ করে..। এসব কাজে রুহিন তাকে অনেকটা সাহায্য করে।

25 তারিখ রাতে পাকিস্তানিরা হঠাৎ বাঙালিদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। পাকিস্তানি সেনারা অকাতরে দেশের মানুষের প্রাণ নিতে থাকে, শুরু হলো পাকিস্থানীদের গোপন অপারেশন,“অপারেশন সার্চলাইট”। অপারেশনের শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে দেশে এক বিচলিত পরিবেশ সৃষ্টি হয়। দেশের প্রত্যেকটা মানুষ যখন প্রাণ টা হাতে নিয়ে আছে, যেকোনো সময় তাদের প্রাণ হাত থেকে পড়ে যেতে পারে। তখন জয় রুহিনের সাথে, দুইজনই তাদের স্যারের সাথে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক পরামর্শ করছে। কিছুক্ষনের মধ্যেই এই খবর তাদের কাছে এলো। এই খবর শোনা মাত্র জয় বাড়িতে ছুটে যায় তার মা ও চাচা চাচির খোঁজ নিতে। খালি পায়ে দৌঁড়েতে গিয়ে তার পায়ে ক্ষত সৃষ্টি হয়, অনর্গল রক্ত ঝরতে থাকে। তবুও স্নেহের টান তাকে আটকে রাখতে পারে নি। বাড়িতে পৌঁছে গিয়ে দেখে বাড়িতে কেউ নেই। তাদের অনেকক্ষণ ডাকাডাকি করার পর খুঁজে না পেয়ে জয় যখন চলে যাচ্ছিল তখন পলের পালের পাশ থেকে একটি মুমূর্ষু কণ্ঠস্বর জয়কে ডাকছে। জয় সেখানে গিয়ে দেখে তার চাচি মৃতপ্রায় অবস্থায় শুয়ে আছে, তা দেখে জয় নিজেকে আর সংযত করতে পারলো না চাচির প্রতি সব অভিমান ভুলে ইকুমকে জড়িয়ে ধরে খুব জোরে জোরে কান্না করতে থাকে। কিছুক্ষণ পর লক্ষ্য করল যে ইকুম তাকে কিছু একটা বলতে চাইছে। জয় তা অনুভব করলে তৎক্ষণাৎ প্রশ্ন করে, “ মা ও চাচি কই? ওদের দেখতে পাচ্ছি না কেন?” ইকুম অতি কষ্টে ক্ষত শরীর নিয়ে বলতে থাকল,“তোর চাচা যুদ্ধে গেছে।” এ কথা শুনে জয় অবাক হয়ে গেল, যেন সে নিজেকে বিশ্বাস করতে পারছে না। “এসব বিষয়ে তোর কাছে এতো দিন আড়াল করেছি আমরা, কারন দেশের অবস্থা ভাল না। পাকিস্থানিরা নিজেদের সার্থের জন্য সব কিছু করতে পারে। আজ আমাকে মেরে ফেলল। তোর মাকে ওরা তুলে নিয়ে গেছে। দেখেছিস বাবা…ওরা কতটা নির্দয় নির্মম এভাবেই হাজারো মানুষের প্রাণ নিচ্ছে ওরা। তাদের এই নির্মম নৃশংস আচরণের কারণে তোকে মুক্তিযুদ্ধে কোন বিষয়ে জড়াতে দেই নি। জানি তোর সাথে কবে কি হয়ে যায়? তুই যেন আমাদের ভুল না বুঝিস, সেজন্য শেষ শ্বাসটুকু ধরে রেখেছি। কিন্তু আজ বলছি, তুই ওদের ছাড়বি না.. যা দেশকে মুক্ত ক… যা দেশের জন্য লড়াই কর… তুই জয়ী………..” শেষ কথা ইকুম আর বলতে পারল না। শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলো ইকুম। এদিকে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে 26 শে মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ডাক দিলেন। শুরু হলো মহান মুক্তিযুদ্ধ।

জয়ের সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনায় আর্তনাদ হয়ে গরম রক্তবাহী তরুণ জয় পাকিস্তানিদের শেষ করতে রাইফেল হাতে অগ্রসর হলে তাকে বাঁধা দিয়ে বলে,“ তুই কোথায় খুঁজবি তোর মাকে? আর এভাবে তাদের শেষ করা যায় না, এর জন্য কৌশল ব্যবহার করতে হয়। তুই এসব জানিস।” রুহিন তাকে আবার বঝাবার চেষ্টা করলে কিন্তু সবকিছু জেনেও জয় বুঝেও বুঝল না। এতদিনের রাগ তার ওপর চেপে বসেছে। সে যে-কোনো মূল্যে পাকিস্থানীদের মারবে। এর ২ থেকে ১ সপ্তাহ পর এক সংবাদবাহীর কাছ থেকে আইমার সন্ধান পেল জয়। সেদিন সে কাউকে কিছু না বলে সুযোগ বুঝে একা রাতের অন্ধকারে পাকিস্তানের ঘাঁটিতে যায়। পেছন থেকে এক এক করে মারতে থাকে পাকিস্তানি সৈন্যদের কিন্তু বেশিক্ষণ এটা চলল না। পাকিস্তানীদের হাতে ধরা পড়ে গেল জয়। বন্দি অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হল সেই জায়গায় যেখানে আছে আরও বাঙালি—যার মধ্যে কেউ সাধারণ মানুষ কেও বা যোদ্ধা যোদ্ধা। এরমধ্যে জয় তারা মা ও স্যার কে দেখতে পেল জয় মনে মনে আন্দাজ করতে পেরেছে। সে মনে মনে ভাবল, “আজি মনে হয় আমাদের মারবে।”পাকিস্তানিরা প্রচন্ড নির্মমভাবে স্যার কে মারলো তারা প্রথমে স্যারের চোখ দুটো পুরো ফেলে, তারপর দাঁতগুলো ভেঙে ফেলে, গরম সূচ কানের ভেতরে দেই, সবশেষে হৃদপিণ্ড বের করে অতি কষ্টদায়কভাবে মেরে ফেলল৷ প্রাণ নিলো স্যারের মতো আরো অনেকের। এসব বিষয়ে জয়ের বাকশক্তি হারিয়ে গেছে। এরপর আস্তে আস্তে জয়কে মারার জন্য নির্দিষ্ট স্থানে নিয়ে গেল। আইমা শুধু চিৎকার করে বলছে,“আমার ছেলেকে ছেড়ে দে….শয়তান….।” জয়কে আইমার চোখের সামনে দিয়ে নিয়ে গেল। বাকিদের যেভাবে মেরেছে জয়কে আরও আর্তনাদ ভাবে মারছে। এবার আইমা শুধু নিস্তব্ধতার সাথে তার ছেলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে একদৃষ্টে এবং চোখ দিয়ে অকাতরে জল ঝরছে আইমার। দু জন দুজনের দিকে এক দৃষ্টে তাকিয়ে আছে যেন তাদের মধ্যে কথা হচ্ছে চোখে চোখে। হয়তো জয় বলছে, “মা তোমাকে হাজার সালাম…..। এই জন্মভূমিতে মা আমাকে জন্ম দেওয়ার জন্য…. আমাকে দেশের জন্য লড়াই করার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য……। আমাকে ক্ষমা করে দাও মা… তোমাকে একলা ছেড়ে আমি চলে যাচ্ছি….।বিদায় মা…..।” এরইমধ্যে পাকিস্থানীদের এক গুপ্তচর এসে খবর দিল আজম নামে এক বড় মুক্তিযোদ্ধা কে মেরে ফেলেছে। এ কথা শোনার পর আইমা অজ্ঞান-হয়ে-গেল এবং সে মনে মনে ভাবল আমার পৃথিবীতে কেউ রইল না। ঠিক সে সময় জয় এবার একটু উচ্চস্বরে বলে উঠল,“বিদায় জন্মভূমি। তোমার জন্য আমি কিছুই করতে পারলাম না………আমাকে ক্ষমা কর।” জয়ের হৃৎপিন্ড বের করার সাথে সাথে জয় চিৎকার করে বলে উঠল,“জয় বাংলা……বাংলার জয়……।” দেশ থেকে বিদায় নিল আরও এক সাহসী সোনার ছেলে। বুকে হাজারো ইচ্ছা নিয়ে যে যুদ্ধে বেমেছিলি জয়, আজ সে অতৃপ্ত বিজয়ের স্বাদ গ্রহণ করে বাংলার বুক লাল রক্তে রঞ্জিত করে শহিদ হলো। দেশকে লাল রক্তে রাঙিয়ে গেল….।

Leave a Comment